ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক ভ্রমণ গাইড 2026 | খরচ ও যাওয়ার উপায়
ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক, হাজারীবাগ (Dream World Park Hazaribagh) রাজধানী ঢাকার ব্যস্ত নাগরিক জীবনের মাঝে শিশু, কিশোর এবং পরিবার-পরিজনের জন্য এক...
Dream World Park (ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক)
ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক, হাজারীবাগ (Dream World Park Hazaribagh) রাজধানী ঢাকার ব্যস্ত নাগরিক জীবনের মাঝে শিশু, কিশোর এবং পরিবার-পরিজনের জন্য এক আনন্দমুখর আধুনিক বিনোদন পার্ক। পুরান ঢাকার হাজারীবাগের পশ্চিম প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদী সংলগ্ন ঝাউচর বেড়িবাঁধ এলাকায় অবস্থিত এই পার্কটি শিশু-কিশোরদের নির্মল চিত্তবিনোদন এবং পারিবারিক মিলনমেলার অন্যতম সেরা কেন্দ্র। বিভিন্ন রোমাঞ্চকর রাইড, খেলনা ট্রেন, কিডস প্লে জোন, সুইং, মেরি-গো-রাউন্ড এবং খোলামেলা সবুজ পরিবেশের কারণে ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, লালবাগ ও হাজারীবাগসহ পুরো ঢাকা শহরের মানুষের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিকেল কাটানোর গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ⏱️ ভ্রমণের সময় ২-৩ ঘণ্টা (বিকেল বেলা) 💰 জনপ্রতি বাজেট ২০০ - ৫০০ টাকা 🌤️ সেরা সময় সারা বছর (বিশেষত শীতকাল) 🏡 ধরণ / ক্যাটাগরি অ্যামিউজমেন্ট ও চিলড্রেন পার্ক 🚶 কঠিনতার মাত্রা একেবারেই সহজ 👨👩👧👦 উপযুক্ত ভ্রমণকারী পরিবার, শিশু ও কিশোর 🌟 প্রধান আকর্ষণ বাচ্চাদের রাইডস ও ফান জোন 📶 নেটওয়ার্ক কভারেজ সব সিমের 4G/5G নেটওয়ার্ক ১. ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক এর পরিচিতি ও প্রেক্ষাপট হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তরের পর এই অঞ্চলের সামাজিক ও ভৌগোলিক পরিবেশে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ ও পশ্চিম ঢাকার মানুষের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর বিনোদন স্পটের অভাব দূর করার লক্ষ্য নিয়ে হাজারীবাগের ঝাউচর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন খোলামেলা পরিবেশে গড়ে তোলা হয় 'ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক'। আধুনিক নগরজীবনে শিশুদের চার দেয়ালের গণ্ডি থেকে বের করে নির্মল খেলার সুযোগ দিতে পার্কটিতে বিভিন্ন ধরণের আধুনিক মেকানিক্যাল ও নন-মেকানিক্যাল রাইড স্থাপন করা হয়েছে। সুবিন্যস্ত হাঁটার পথ, আলোকসজ্জা, বসার ব্যবস্থা এবং ফুড কর্নারের কারণে এটি অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানটি স্থানীয় অধিবাসী এবং পার্শ্ববর্তী ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের বাসিন্দাদের কাছে এক নির্ভরতার অবসর কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ২. ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক কোথায় অবস্থিত ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক রাজধানী ঢাকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত হাজারীবাগ থানাধীন ঝাউচর বেড়িবাঁধ রোডে অবস্থিত (হোল্ডিং: ৩৮১, ঝাউচর)। এটি ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোড ও জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী বেড়িবাঁধের পাশেই এশিয়ান কনভেনশন সেন্টারের সন্নিকটে অবস্থিত। ৩. ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক কেন ভ্রমণ করবেন (প্রধান আকর্ষণসমূহ) রোমাঞ্চকর কিডস রাইডস: পার্কে রয়েছে খেলনা ট্রেন (Toy Train), মিনি রোলার কোস্টার, বাম্পার কার, মেরি-গো-রাউন্ড, সুইং চেয়ার এবং নাগরদোলা যা শিশুদের অত্যন্ত আনন্দ দেয়। নিরাপদ প্লে জোন ও ইনফ্ল্যাটেবল ক্যাসেল: শিশুদের দৌড়াদৌড়ি ও লাফানোর জন্য ফোমের বলপুল, জাম্পিং স্লাইড এবং বাউন্সি ক্যাসেলের নিরাপদ সুব্যবস্থা। খোলামেলা ও দূষণমুক্ত বাতাস: নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় বিকেলে এখানে চমৎকার শীতল হাওয়া উপভোগ করা যায়। পারিবারিক আড্ডা ও ফুড কর্নার: পার্কের অভ্যন্তরে চটপটি, ফুচকা, আইসক্রিম, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের দোকান রয়েছে, যা পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য চমৎকার। সাশ্রয়ী বাজেট ও দ্রুত যাতায়াত: ঢাকার কেন্দ্রস্থল ধানমন্ডি ও জিগাতলা থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের দূরত্বের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্প খরচে বিনোদনের সুযোগ। ৪. কীভাবে যাবেন (ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বিস্তারিত যাতায়াত রুট) ১ম ধাপ: ঢাকা শহরের মূল পয়েন্ট থেকে যাতায়াত: 🚌 ১. ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জিগাতলা বা হাজারীবাগ মোড়ে বাসে: উত্তরা, মিরপুর, মতিঝিল বা বাড্ডা থেকে জিগাতলা, শংকর বা ধানমন্ডি ১৫ নম্বরগামী সিটি বাসে উঠে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড বা হাজারীবাগ থানা মোড়ে নামতে হবে। জনপ্রিয় বাস: প্রজাপতি পরিবহন, বিকাশ পরিবহন, লাব্বাইক, তরঙ্গ প্লাস, স্বাধীন পরিবহন। ভাড়া: ৩০ থেকে ৫০ টাকা। গন্তব্য স্টপ: জিগাতলা মোড় / হাজারীবাগ বাজার। 🚆 ২. মেট্রো ও রিকশা সংযোগ: মেট্রোরেলে চড়ে সিপিজে / শাহবাগ মেট্রো স্টেশনে নেমে সেখান থেকে সরাসরি রিকশা বা সিএনজি নিয়ে ধানমন্ডি হয়ে হাজারীবাগ ঝাউচর ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্কে পৌঁছানো যায় (সময় লাগে ২০-২৫ মিনিট)। 🚗 ৩. নিজস্ব গাড়ি বা বাইকে সরাসরি ড্রাইভ: ধানমন্ডি ৭/এ বা ১৫ নম্বর হয়ে বেড়িবাঁধ সড়কে উঠুন অথবা গাবতলী/বসিলা থেকে বেড়িবাঁধ সড়ক ধরে দক্ষিণ দিকে ঝাউচর বাজারের দিকে চলে আসুন। এশিয়ান কনভেনশন সেন্টার ও ঝাউচর মোড়ের কাছেই ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক অবস্থিত। ২য় ধাপ: জিগাতলা বা হাজারীবাগ মোড় থেকে পার্কে পৌঁছানো: জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড বা হাজারীবাগ ট্যানারি মোড় থেকে ঝাউচর ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্কের দূরত্ব মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা/ইজিবাইক: হাজারীবাগ মোড় বা শিকদার মেডিকেল মোড় থেকে ঝাউচর বাজারে যাওয়ার লোকাল অটো পাওয়া যায়। লোকাল ভাড়া জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা (সময় লাগে ১০ মিনিট)। রিকশাযোগে: জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি রিকশা নিলে পার্কের গেট পর্যন্ত ভাড়া নেয় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫. ভ্রমণের সময়সীমা (Duration) ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক পরিদর্শনের জন্য ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় যথেষ্ট। বিশেষ করে বিকেল ৪:০০ টা থেকে রাত ০৮:০০ টা পর্যন্ত সময়টি এখানে কাটানোর জন্য সবচেয়ে আনন্দময়। বাচ্চারা রাইড চড়া, নাস্তা করা এবং সবুজ খোলা পরিবেশে খেলাধুলা করে চমৎকার সন্ধ্যা উপভোগ করতে পারে। ৬. বাজেট টেবিল (Estimated Budget per Person) খাত বিবরণ আনুমানিক খরচ (টাকা) যাতায়াত (ঢাকা শহরের ভেতর) বাস ও রিকশা/অটোরিকশা ভাড়া ৮০ - ১৫০ প্রবেশ টিকিট ফি পার্কের সাধারণ এন্ট্রি ফি (জনপ্রতি) ৩০ - ৫০ বিভিন্ন রাইডস টিকিট বাচ্চাদের ৩-৪টি রাইডের টিকিট (প্রতি রাইড ৩০-৫০ টাকা) ১০০ - ২০০ খাবার ও জলখাবার চটপটি-ফুচকা, আইসক্রিম ও স্ন্যাকস ১০০ - ২০০ সর্বমোট আনুমানিক বাজেট (জনপ্রতি) ৳ ৩১০ - ৬০০ টাকা ৭. গাইড ও নিরাপত্তা অনুমতি পার্কে প্রবেশের জন্য মূল গেটের টিকিট কাউন্টার থেকে প্রবেশ টিকিট ও রাইডের টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। পুরো পার্ক এলাকাটি চারদিক থেকে সুরক্ষিত এবং ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত থাকে। কোনো আলাদা গাইডের প্রয়োজন নেই। রাইডগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ অপারেটর নিয়োজিত থাকেন। ৮. কোথায় থাকবেন (Accommodation Options) পার্কটি ঢাকা শহরের ভেতরে হওয়ায় রাত্রিযাপনের কোনো ঝামেলা নেই। তবে ঢাকার বাইরের পরিদর্শকদের জন্য ধানমন্ডি ও কলাবাগান সংলগ্ন এলাকায় চমৎকার আবাসন সুবিধা রয়েছে: ধানমন্ডি আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউস: ধানমন্ডি ২৭ ও সাতমসজিদ রোডের কাছে হোটেল অর্কিড প্লাজা, হোটেল ভিক্টোরিয়া ইত্যাদি (ভাড়া: ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা)। ফার্মগেট ও কলাবাগান: কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের কাছে বিভিন্ন মানের বাজেট ও স্ট্যান্ডার্ড হোটেল রয়েছে (ভাড়া: ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা)। ৯. কী খাবেন (Local Food Delicacies) পার্কের স্ট্রিট ফুড ও ফুচকা-চটপটি: পার্কের ফুড কর্নারে গরম তেঁতুলের টকসহ মুচমুচে ফুচকা ও স্পেশাল চটপটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের ক্যাফে ও ডাইনিং: পার্ক থেকে মাত্র ১০ মিনিটের দূরত্বে সাতমসজিদ রোডের নামীদামী রেস্তোরাঁগুলোতে কাবাব, বাফে এবং আন্তর্জাতিক ফাস্টফুড উপভোগ করা যায়। হাজারীবাগের ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি ও মিষ্টি: পুরান হাজারীবাগ বাজারের পুরানো মিষ্টির দোকানগুলোর দই ও ছানার মিষ্টি অত্যন্ত সুস্বাদু। ১০. কী কী সঙ্গে নেবেন (Travel Packing Checklist) বাচ্চাদের সহজে চলাফেরা ও দৌড়াদৌড়ির জন্য আরামদায়ক সুতি পোশাক ও জুতো। বাচ্চাদের সুন্দর মুহূর্তগুলোর ছবি তোলার জন্য স্মার্টফোন বা ক্যামেরা এবং পাওয়ার ব্যাংক। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ওয়েট ওয়াইপস (রাইড ব্যবহারের পর হাত পরিষ্কার করার জন্য)। ব্যক্তিগত পানির বোতল। ১১. কঠিনতার মাত্রা ও নিরাপত্তা সতর্কতা ⚠️ সতর্কতা ও আচরণবিধি: বাচ্চারা যখন রাইডে উঠবে, তখন সবসময় তাদের কাছাকাছি থাকুন এবং নিরাপত্তা বেল্ট সঠিকভাবে বাঁধা হয়েছে কি না তা অপারেটরের সাথে নিশ্চিত করুন। ছুটির দিনে পার্কে বেশ ভিড় হতে পারে; তাই বাচ্চাদের হাত সবসময় ধরে রাখুন যাতে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে না যায়। বেড়িবাঁধের মূল সড়কে প্রচুর দ্রুতগামী গাড়ি ও ভারী যানবাহন চলাচল করে; রাস্তা পারাপারের সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। পার্কের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে চিপসের প্যাকেট ও বোতল নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলুন। ১২. ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক ভ্রমণের সেরা সময় (Best Time to Visit) ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক পরিদর্শনের সেরা সময় হলো অক্টোবর থেকে মার্চ মাস (শীতকালীন বিকেল)। প্রতিদিন বিকেল ০৩:৩০ থেকে সন্ধ্যা ০৭:৩০ পর্যন্ত পার্কটির আবহাওয়া সবচেয়ে আরামদায়ক থাকে। রঙিন আলোয় পার্কের সাজসজ্জা সন্ধ্যায় এক অপূর্ব রূপ ধারণ করে। শুক্রবার ও শনিবারের চেয়ে সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতে ভিড় তুলনামূলক কম থাকে, ফলে স্বাচ্ছন্দ্যে সব রাইড উপভোগ করা যায়। ১৩. সম্পূর্ণ ভ্রমণ পরিকল্পনা (পারফেক্ট বিকেল ভ্রমণ) বিকাল ০৩:৩০ - বিকাল ০৪:১৫: ধানমন্ডি বা ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় চড়ে হাজারীবাগের ঝাউচর ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্কের গেটে আগমন। বিকাল ০৪:১৫ - বিকাল ০৫:৩০: প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করে পার্কে প্রবেশ; বাচ্চাদের প্রিয় খেলনা ট্রেন, নাগরদোলা ও সুইং রাইড উপভোগ এবং উন্মুক্ত খেলার মাঠে দৌড়াদৌড়ি। বিকাল ০৫:৩০ - সন্ধ্যা ০৬:৩০: ইনফ্ল্যাটেবল জাম্পিং জোনে সময় কাটানো এবং রঙিন আলোকোজ্জ্বল সন্ধ্যায় পরিবারের সাথে স্মৃতিময় ছবি তোলা। সন্ধ্যা ০৬:৩০ - সন্ধ্যা ০৭:১৫: পার্কের ফুড কর্নারে বসে চটপটি, ক্রিস্পি ফুচকা, কফি ও আইসক্রিম উপভোগ। সন্ধ্যা ০৭:৩০: পার্কের আনন্দময় সময় শেষ করে নিরাপদে নিজ ঠিকানায় প্রত্যাবর্তন। ১৪. আশেপাশের দর্শনীয় স্থান (Nearby Tourist Spots) ধানমন্ডি লেক ও রবীন্দ্র সরোবর: মাত্র ৩ কিমি পূর্বে অবস্থিত ছায়াঘেরা বিশাল লেক, উন্মুক্ত সংস্কৃতি চত্বর ও হাঁটার পথ। লালবাগ কেল্লা: পুরান ঢাকার বিখ্যাত ১৭ শতকের মুঘল দুর্গ ও জাদুঘর (দূরত্ব প্রায় ৩.৫ কিমি)। খান মোহাম্মদ মৃধা মসজিদ: লালবাগের আতশখানায় অবস্থিত সুউচ্চ প্ল্যাটফর্মের ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ মসজিদ। বসিলা ব্রিজ ও বুড়িগঙ্গা রিভারভিউ: বেড়িবাঁধ ধরে মাত্র ১০ মিনিটে পৌঁছে যাওয়া যায় আধুনিক বসিলা ব্রিজ চত্বরে। ১৫. ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ) প্রশ্ন ১: ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক প্রতিদিন কখন খোলা থাকে? উত্তর: পার্কটি সাধারণত প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টা থেকে রাত ০৮:৩০ টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি জমজমাট হয়। প্রশ্ন ২: পার্কে প্রবেশ টিকিট ও রাইড টিকিটের মূল্য কত? উত্তর: সাধারণ প্রবেশ টিকিট জনপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা। ভেতরের বিভিন্ন রাইডের টিকিট প্রকারভেদে জনপ্রতি ৩০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে নির্ধারিত। প্রশ্ন ৩: এখানে কি গাড়ি বা মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে? উত্তর: হ্যাঁ, পার্ক সংলগ্ন সড়কের পাশে এবং নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রয়েছে। প্রশ্ন ৪: কোন বয়সের শিশুদের জন্য এই পার্কটি সবচেয়ে উপযুক্ত? উত্তর: ২ বছর থেকে ১২ বছর বয়সী শিশু ও কিশোরদের জন্য পার্কটির রাইডস এবং খেলার পরিবেশ সবচেয়ে বেশি আনন্দদায়ক ও উপযুক্ত। প্রশ্ন ৫: জিগাতলা বা ধানমন্ডি থেকে কীভাবে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক? উত্তর: জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড বা ধানমন্ডি ১৫ নম্বর থেকে সরাসরি রিকশায় চড়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে মাত্র ৫০-৬০ টাকা ভাড়ায় ঝাউচর ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্কের দরজায় পৌঁছানো যায়।
ভ্রমণের সেরা সময়
ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক পরিদর্শনের সেরা সময় হলো অক্টোবর থেকে মার্চ মাস (শীতকালীন বিকেল)। প্রতিদিন বিকেল ০৩:৩০ থেকে সন্ধ্যা ০৭:৩০ পর্যন্ত পার্কটির আবহাওয়া সবচেয়ে আরামদায়ক থাকে।